শিরোনামঃ
বন্দরে ইসলামী যুব আন্দোলন নেতাকে কুপিয়ে হত্যা  টিপুর ‘মানসিক স্বাস্থ্য’ নিয়ে সাবেক ছাত্রদল নেতার পোস্ট, ‘দ্রুত চিকিৎসার পরামর্শ ’ সর্বমহলে প্রশংসিত জেলা নাজির কামরুল ইসলাম ফতুল্লায় গ্যাস চোর মাজারুল গ্রেফতার : প্রশংসায় পুলিশ  ডিবি পুলিশের অভিযানে পিস্তল-গুলিসহ মানিক গ্রুপের ৩ সদস্য গ্রেফতার  Verificación de identidad y uso responsable de la cuenta en Penalty Shoot Out দুর্যোগকালীন সময়ে যোগাযোগ ও উদ্ধার কার্যক্রম জোরদারে ১২টি স্পিডবোট হস্তান্তর  মহাসড়কে চালু হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ৬টি সড়ক এলজিইডির কোর রোড নেটওয়ার্কের আওতায় আনার সুপারিশ বাড়ির মালিককে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ পোস্ট, বন্দরে কথিত সাংবাদিককে ঘিরে উত্তেজনা
লঞ্চ ও পঞ্চ দুটোই গেলো গিয়াসউদ্দিনের

লঞ্চ ও পঞ্চ দুটোই গেলো গিয়াসউদ্দিনের

নারায়ণগঞ্জ প্রতিদিন রিপোর্টঃ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ ৩ ও ৪ আসনে বিএনপি’র সাবেক এমপি মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন নিজের জামানত হারিয়েছেন। দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে তিনি এবার নির্বাচনে ফুটবল প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেছিলেন। জামানত হারানোর কারণে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ ভোটারদের মতে তিনি লঞ্চ ও পঞ্চ দুটোই হারিয়েছেন।

দুটি আসনেই বড় ব্যবধানে পরাজিত হন তিনি। এমনকি দুটি আসনেই তাঁর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
স্থানীয় নেতৃবৃন্দদের মতে, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করার কারণে মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন এমপি হতে পারেননি তেমনি জামারও তো হারিয়েছেন। অপরদিকে কখনো দলে ফিরতে পারবেন কিনা সেই নিশ্চয়তাও নেই। তার মানে তিনি সবকিছুই হারালেন।

নির্বাচনি আইন অনুযায়ী, বৈধ ভোটের এক-অষ্টমাংশ অর্থাৎ ১২ দশমিক ৫ শতাংশের কম ভোট পেলে প্রার্থীর জমা দেওয়া জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে তিনি পেয়েছেন বৈধ ভোটের ৬ দশমিক ১২ শতাংশ এবং নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে পেয়েছেন মাত্র ১ দশমিক ৮ শতাংশ ভোট।

নারায়ণগঞ্জ-৩ (সিদ্ধিরগঞ্জ–সোনারগাঁ) আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৯৩ হাজার ৩৪৬ জন। এর মধ্যে ৫৭ দশমিক ৪১ শতাংশ বা ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬১৬ জন ভোট দেন। বৈধ ভোট ছিল ৩ লাখ ৩২ হাজার ৮৫২টি এবং বাতিল ভোট ৭ হাজার ৭৬৪টি। এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন পেয়েছেন ২০ হাজার ৩৭৯ ভোট, যা বৈধ ভোটের ৬ দশমিক ১২ শতাংশ। যদিও সিদ্ধিরগঞ্জ অঞ্চলকে তাঁর শক্ত ঘাঁটি হিসেবে বিবেচনা করা হতো, ভোটের মাঠে সেই প্রভাব দেখা যায়নি।

অপরদিকে নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৪০ হাজার ৮১৩ জন। ভোট দিয়েছেন ৪৯ দশমিক ৭৬ শতাংশ বা ২ লাখ ৬৯ হাজার ৮৮ জন। বৈধ ভোট ছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৭২৯টি এবং বাতিল ভোট ৬ হাজার ৩৫৯টি। এ আসনে তিনি পেয়েছেন ৪ হাজার ৭৭৯ ভোট, যা বৈধ ভোটের মাত্র ১ দশমিক ৮ শতাংশ।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত, © নারায়ণগঞ্জ প্রতিদিন.কম।
Design BY SOFT-MACK